
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, যার কথা বিরামপুরবাসি আজিবন শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে।
মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কথা
সেই ১৯৭৮ সালের কথা। একজন বিদ্যোৎসাহী মানুষ হাফেজ ইদ্রীস আলী যিনি অবহেলিত বিরামপুর মসজিদের ঈমাম ছিলেন। যিনি অনগ্রসর বিরামপুর ও তার পাশবর্তী এলাকার ছেলে মেয়েদের আধুিনক ইসলামী শিক্ষায় সমৃদ্ধ করার স্বপ্ন দেখেন। এলাকার কিছু শিক্ষা অনুরাগিকে সাথে নিয়ে স্বপ্নের বিজ বোনা শুরু করেন তিনি।
হাফেজ ইদ্রীস আলীর ওস্তাদ মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ. এর নামকরন করে বিরামপুর শামসুল উলুম হাফিাজয়া কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার পথচলা শুরু করেন নানা বাধা ঘাতপ্রতিঘাত চড়াই উৎরায়ে হাটি হাটি পাপা করে ।
হাফেজ ইদ্রীস আলীর সাথে মাদ্রসা এগিয়ে চলার যুদ্ধে সামিল হন মৃত ইসমাইল খান, তার ভাই মৃত ওয়াজেদ খান ,মৃত ওমর আলী মোল্যা, মৃত মতলেব বিশ্বাস, মৃত আব্দুল আজিজ, মৃত আতিয়ার রহমান, আনোয়ার হোসেন, হাজী লিয়াকত আলী, শামসুল হক, নুর ইসলামসহ অনেক নিবেদিত ধর্মপ্রান মানুষ।
তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রথমে মসজিদের জায়গায় টিনসেড দিয়ে শুরু করেন শত বছরের অনাদরে লালিত প্রাচীন মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা। জরাজির্ণ অবস্থা আর নানা সংকটের মধ্যোদিয়ে সেমিপাকা টিনসেড ঘরেই জ্বলে ওঠে আল কোরানের প্রদীপ শিখা।
দীর্ঘ ১৬ বছর সাধনার পর আল্লাাহ রব্বুল আলামিনের দয়া হয় বিরামপুর বাসির উপর, রহমত স্বরূপ পাঠান সরদার ওয়াকার হাসান (রাজু) নামে এক বান্দাকে, যার জমি দানে খুলে যায় মুসলিম উম্মার ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার সাম্ভাবনার দ্বার। তখন ১৯৯৪ সালে দ্বিতিয় বারের মত সংস্কার করে নতুন উদ্দমে ইসলামী সেবার প্রতিস্রুতি নিয়ে নিজেস্ব জায়গায় একতলা নিজেস্ব পাকাভবনে বিরামপুর শামসুল উলুম হাফিাজয়া কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানা মাদ্রাসাটির আজকের এই অবয়ব।
এর পিছনে রয়েছে ঔসব গুনিজনদের নিজেস্ব অর্থায়ন, নিজহাতে ইট বহন, বাড়ি বাড়ি চাল ধান আদায় করার ইতিহাস । তাদের শ্রম, ত্যাগ ও গোড়াপত্তনকে স্যালুট জানিয়ে মাদ্রাসা উন্নায়নে এগিয়ে আসেন এই এলাকারই অনেক সেচ্ছাসেবী যুবক, যাদের মধ্যে অনেকে আছেন আবার অনেকেই হয়তো নেই কিন্তু সেই থাকা না থাকার মধ্যো দিয়ে অর্জন করেই চলছেন সদকায়ে জারিয়া নামক আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত।
আরও তথ্যসম্বলিত লেখার প্রস্তুতি চলছে………